Uncategorized

বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া রোহিঙ্গাদের রেজিস্ট্রেশন চায় ফ্রান্স

  প্রতিনিধি ১৫ জুন ২০২৩ , ২:৩৫:০৯

Spread the love

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রস্তুতির খোঁজ নিলেন ফ্রান্স অফিস ফর রিফিউজ অ্যান্ড স্টেটলেস পারসনের (ওএফপিআরএ) প্রতিনিধিদল। এ ছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া রোহিঙ্গাদের রেজিস্ট্রেশন দেয়া যায় কিনা, সেই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছে প্রতিনিধিদলটি।

তবে, তাদের এই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সুনির্দিষ্ট ছয়টি বিষয় নিয়ে বৈঠক করে ফ্রান্স থেকে আসা ওএফপিআরএ’র প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন তথ্য ও ডকুমেন্টেশন বিভাগের এশিয়া বিষয়ক পরিচালক ক্লিয়ার লুমায়ুক্স। অন্য সদস্যরা হলেন- ফ্রানসিস এক্সভিয়ার ভেয়িলার্ড, লোরেন ব্লার্ড, জোরেম কেমুস। তারা ভোটার তালিকা এবং নির্বাচন সিস্টেম, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া, নির্বাচনী আইন, নির্বাচন প্রচারণা এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষক বিষয়ে জানতে চেয়েছেন।

ইসি’র পক্ষে এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ। উপস্থিত ছিলেন এনআইডি মহাপরিচালক একেএম হুমায়ুন কবীর, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখা-১ ও ২ এর যুগ্ম সচিব ও কমিশনের আইন শাখার যুগ্ম সচিব।

সভা সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসি’র অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ মানবজমিনকে বলেন, ভোটার রেজিস্ট্রেশনসহ তাদের কিছু এজেন্ডা ছিল, সে বিষয়ে আলোচনা করেছি। মূলত তারা আমাদের ভোটার রেজিস্ট্রেশনের প্রসেসের বিষয়ে জানতে এসেছিল। আমরা কীভাবে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করি, সে বিষয়ে তাদের জানিয়েছি। তারা আমাদের ভোটার রেজিস্ট্রেশনের অভিজ্ঞতা নেয়ার জন্য এসেছিল।

তিনি বলেন, তারা বাংলাদেশের আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের রেজিস্ট্রেশনের বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি।

আমরা তাদের জানিয়েছি, এই ধরনের কোনো সুযোগ আমাদের নেই। এ ছাড়া, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়েও তারা জানতে চেয়েছিল। আমরা বলেছি, আমাদের রোডম্যাপ অনুযায়ী আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফ্রান্স সরকারের পক্ষ থেকে পর্যবেক্ষক আসতে চায়। আমরা আমাদের পর্যবেক্ষক নীতিমালার বিষয়ে তাদের বলেছি। তারা প্রতিবারই আসে এবং তাদের বিভিন্ন সংগঠন এসেছে। আজকে যারা এসেছিল তারা মূলত অভিবাসী নিয়ে কাজ করে।